বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী ও তার হর্তাকর্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি-সম্প্রীতির কনসার্ট, সভা-সমাবেশ আয়োজন করে, কথায় কথায় শান্তি সম্প্রীতির বাণী শোনায়, ‘শান্তি সম্প্রীতি’র শ্লোগান সম্বলিত বড় বড় বিলবোর্ড টাঙিয়ে দেয়, কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি অধরা থেকে যায়। কারণ, দিনশেষে বাঙালি শাসকগোষ্ঠী পাহাড়িদের ওপর দমননীতি জারি রেখে নিপীড়ন-নির্যাতন চালায়। সাম্প্রদায়িক হামলা-হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। জায়গা-জমি কেড়ে নেয়। নিজ বসতভিটা-জমি থেকে পাহাড়িদের উচ্ছেদ করে। বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়। ফলে তাদের শান্তি-সম্প্রীতির বাণী অশান্তির বাণীতে পরিণত হয়।
নিরন চাকমা'র ব্লগ
নিজেকে পরিবর্তন করুন, অন্যকেও পরিবর্তন হতে সহযোগিতা দিন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
গণতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করার অধিকার ইউপিডিএফের রয়েছে
ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনেতিক দলগুলোর মতো তারও সুনির্দিষ্ট গঠনতন্ত্র, দাবিনামা, কর্মসূচি রয়েছে, যা পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করে সর্বসাধারণের কাছে বিলি-বিক্রি করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের ২ নং ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “পার্টির লক্ষ্য হইল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পন্থায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের ন্যায্য অধিকার পূর্ণস্বায়ত্তশাসন অর্জনের মাধ্যমে অত্র অঞ্চলে শোষণ-নিপীড়নমুক্ত প্রকৃত গণতান্ত্রিক সামজ প্রতিষ্ঠা করা।” (ইউপিডিএফের ওয়েবসাইট www.updfcht.com এর পাবলিকেশনস বিভাগে পুস্তিকাটি পাবেন) ।
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামেও কী নেপালের পরিণতি অপেক্ষা করছে?
গতকাল (২৬ আগস্ট) নেপালে তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া
ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতির ঘটনায়
বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যু ও পাঁচ শতাধিক
মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে নেপালের
নাগরিক ছাড়াও ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া একই ঘটনায়
তিব্বতেও হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।


