সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক কী প্রাকৃতিক ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহ কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

যেভাবে পাহাড় কেটে নির্মাণ করা
হচ্ছে সীমান্ত সড়ক

পার্বত্য চট্টগ্রামে ১,০৩৬ কিলোমিটারের দীর্ঘ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করছে সেনাবাহিনী। ২০২০ সাল থেকে এ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ৩১৭ কিলোমিটার সড়কের জন্য ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৮শ ৬১ কোটি টাকা। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ২৮৮ কিলোমিটার সড়কের আরেকটি প্রকল্পের জন্য ৩ হাজার ৬শ ৬৬ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। সড়কটি নির্মাণ শেষ হতে হতে এর ব্যয় নিশ্চয় হাজার কোটি ছাড়িয়ে যাবে। 

শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

জাতিগত আত্মপরিচয়ের গ্লানি থেকে মুক্তির উপায় কী?

জাতিগত আত্মপরিচয়ের সাথে একটি জাতির অস্তিত্ব নিহিত রয়েছে। আত্মপরিচয়হীন জাতি কখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জুম্ম বা পাহাড়িরা এই দশায় পড়েছে। তারা এখন আত্মপরিচযের গ্লানি বা সংকটে ভুগতে বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্রই এই সংকট তৈরি করে রেখেছে।

সংগৃহিত ছবি
ব্রিটিশ আমল থেকে যদি আমরা দেখি তাহলে দেখতে পাই যে, রাষ্ট্রীয়ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী জুম্মদের কখনো হিলম্যান, কখনো ট্রাইব, কখনো ট্রাইবাল, কখনো উপজাতি, কখনো ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী... ইত্যাদি পরিচয়ে পরিচিত করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৭ সালের স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে ‘উপজাতি’ শব্দটি মেনে নেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে অনেক প্রতিষ্ঠানের নামে এখনো ‘উপজাতি’ শব্দটি চোখে পড়ে।

জাতিসত্তাগুলোর জাতিগত পরিচয় বিলুপ্ত করে দেওয়ার সবচেয়ে ঘৃণ্য কাজটি করা হয়েছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে। সেখানে বাঙালি জাতীয়তাবাদ অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে বসবাসকারী সবাইকে বাঙালি বানানো হয়েছিল। তৎসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছিলেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

সংখ্যালঘু জাতিগুলোর অস্তিত্ব কী ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে’ বিলীন হয়ে যাবে?

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার “বাংলাদেশে সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সকলের পরিচিতি হবে বাংলাদেশী” এমন তত্ত্ব হাজির করেছে, যাতে আপাত দৃষ্টিতে খুবই ভালো মনে হতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ভিন্ন উদ্দেশ্য, সংখ্যালঘু জাতিসত্তাগুলোকে বিলীন করে দেয়ার সুক্ষ্ম পরিকল্পনা। 

বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে, “আমরা পাহাড় সমতলে যারাই আছি, আমাদের একটাই পরিচয়- আমরা সবাই বাংলাদেশী। জাতির সকল অংশ তথা ধর্মীয়, আঞ্চলিক ও নৃ-গোষ্ঠীগত পরিচয় এবং নারী পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণি ও গোষ্ঠীর মানুষকে নিয়ে একটি সুসংহত জাতি গঠন করাই বিএনপি’র লক্ষ্য।”