মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

ড. গৌতম চাকমার পার্বত্য চুক্তি বিষয়ে মন্তব্যকে ঘিরে সমালোচনা সম্পর্কে কিছু কথা

সম্প্রতি গত ১ আগস্ট ২০২৬ (১৮৬০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম হওয়ার দিনে) পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতি অঙ্কন চাকমার সঞ্চালনায় আয়োজিত এক অনলাইন আলোচনায় ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. গৌতম চাকমার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিষয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে চুক্তি স্বাক্ষরকারী জেএসএস (সন্তু)-এর কিছু নেতা-কর্মী ও তাদের পক্ষের কিছু লোকজনকে নানা সমালোচনায় মেতে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে তারা সঠিকভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গৌতম বাবুকে নিয়ে নোংরা ভাষায় সমালোচনাসহ তাঁকে খারাপভাবে চিত্রিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু ঘটনা নিয়ে বিক্ষিপ্ত আলাপ

পার্বত্য চট্টগ্রাম আলোচিত হচ্ছে নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে। প্রতিনিয়ত একটা না একটা ঘটনা আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারী বর্ষণের ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাজেকে বিজিবি সদস্যদের চালিত সামরিক যানের ধাক্কায় সন্তানসম্ভবা স্কুল শিক্ষিকা সুমন্তি চাকমার মৃত্যুর ঘটনা বেশ আলোচিত হয়েছে। এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়েছে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বেশ কিছু জায়গায় সেনাবাহিনীর অভিযান। যার জন্য এলাকার জনগণ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন পার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব নিয়ে কিছু বিক্ষিপ্ত আলাপ করা যাক। 

🔹কথিত উন্নয়ন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ

সরকারের কথিত উন্নয়নের থাবায় পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন ক্ষতবিক্ষত। সড়ক নির্মাণের নামে পাহাড়-বন উজাড় করে জীববৈচিত্র্য ধ্বংসসাধন, যত্রতত্র পর্যটন স্পট তৈরি করে ব্যবসা, বহিরাগত অনুপ্রবেশ ও বসতিস্থাপনের ফলে ভূমি বেদখল এবং সামরিক বাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন... ইত্যাদির ফলে দিন দিন পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তার মধ্যে বিশ্বের জলবায়ূ পরিবর্তনের প্রভাবতো রয়েছেই। আর এতেই প্রকৃতির রুদ্ররূপ আমরা প্রতিবছর দেখতে পাচ্ছি। মনে রাখতে হবে প্রকৃতিকে যদি তার মতো থাকতে দেওয়া না হয় তাহলে সে ভয়ঙ্কররূপে প্রতিশোধ নেয়। আমরা স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনা দেখেছি ২০১৭ সালে। কিন্তু এরপরও আমাদের কোন শিক্ষা হয়নি। অপরিকল্পিত উন্নয়ন যে কতটা প্রকৃতি-পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তা ভবিষ্যত পার্বত্য চট্টগ্রামই হয়তো বলে দেবে।

সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক কী প্রাকৃতিক ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ভয়াবহ কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে?

যেভাবে পাহাড় কেটে নির্মাণ করা
হচ্ছে সীমান্ত সড়ক

পার্বত্য চট্টগ্রামে ১,০৩৬ কিলোমিটারের দীর্ঘ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করছে সেনাবাহিনী। ২০২০ সাল থেকে এ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ৩১৭ কিলোমিটার সড়কের জন্য ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৮শ ৬১ কোটি টাকা। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ২৮৮ কিলোমিটার সড়কের আরেকটি প্রকল্পের জন্য ৩ হাজার ৬শ ৬৬ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। সড়কটি নির্মাণ শেষ হতে হতে এর ব্যয় নিশ্চয় হাজার কোটি ছাড়িয়ে যাবে।