ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনেতিক দলগুলোর মতো তারও সুনির্দিষ্ট গঠনতন্ত্র, দাবিনামা, কর্মসূচি রয়েছে, যা পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করে সর্বসাধারণের কাছে বিলি-বিক্রি করা হয়েছে। গঠনতন্ত্রের ২ নং ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “পার্টির লক্ষ্য হইল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পন্থায় পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের ন্যায্য অধিকার পূর্ণস্বায়ত্তশাসন অর্জনের মাধ্যমে অত্র অঞ্চলে শোষণ-নিপীড়নমুক্ত প্রকৃত গণতান্ত্রিক সামজ প্রতিষ্ঠা করা।” (ইউপিডিএফের ওয়েবসাইট www.updfcht.com এর পাবলিকেশনস বিভাগে পুস্তিকাটি পাবেন) ।
নিরন চাকমা'র ব্লগ
নিজেকে পরিবর্তন করুন, অন্যকেও পরিবর্তন হতে সহযোগিতা দিন
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামেও কী নেপালের পরিণতি অপেক্ষা করছে?
গতকাল (২৬ আগস্ট) নেপালে তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া
ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতির ঘটনায়
বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যু ও পাঁচ শতাধিক
মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে নেপালের
নাগরিক ছাড়াও ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া একই ঘটনায়
তিব্বতেও হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ কী সরকার দলীয় নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্র?
স্বৈরাচারী এরশাদ ১৯৮৯ সালে তিন পার্বত্য জেলায় গঠন করেন স্থানীয় সরকার
পরিষদ। নাম দেওয়া হয় ‘রাঙামাটি পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’, ‘বান্দরবান পার্বত্য
জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’ ও ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’। তৎকালীন
শান্তিবাহিনী তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এ পরিষদগুলো মেনে নেয়নি।
শান্তিবাহিনীর বিরোধীতার মুখে এরশাদ ’৮৯ সালের ২৫ জুন আয়োজন করেন উক্ত তিন পরিষদের নির্বাচন। শান্তিবাহিনী এ নির্বাচনকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েও তা কার্যকর করতে পারেনি। এরশাদ সরকার যেনতেনভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করে ফেলে। নির্বাচনে রাঙামাটি থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন গৌতম দেওয়ান, খাগড়াছড়ি থেকে সমীরণ দেওয়ান ও বান্দরবান থেকে সাচিং প্রু জেরি। শান্তিবাহিনী তাদেরকে দালাল ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা জোরদার করে। সেই যে নির্বাচনটা হলো আজ পর্যন্ত আর কোন নির্বাচন হয়নি।


