![]() |
| সংগৃহিত ছবি |
এ উৎসবটি ত্রিপুরারা “বৈসুক/বৈসু”, মারমারা “সাংগ্রাই”, চাকমারা “বিঝু”, তঞ্চঙ্গ্যারা “বিষু”, গুর্খা-অহোমিরা “বিহু”, খেয়াংরা “সাংলান’, খুমিরা “সাংক্রাই”, চাকরা “সাংগ্রাইং”, ম্রোরা “চাংক্রান”, সান্তালরা “বাহা পরব” নামে এবং অন্যান্য জাতিসত্তাগুলোও নিজস্ব নামে উৎসবটি পালন করে। তবে আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে উৎসবটি কয়েকটি জাতিসত্তার উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈ-সা-বি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে (বিশেষত খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে) এবং এ নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠান (র্যালি, নদীতে ফুল অর্পণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি) করা হয়েছে।


.png)