-- নিরন চাকমা
[ এ লেখাটি ইউপিডিএফ-এর এক যুগপূর্তি সংকলন ‘নব জাগরণ’-এ প্রকাশিত হয়েছিল। অনলাইন পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এটি এখানে প্রকাশ করলাম।]
পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ
লড়াই সংগ্রামের পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের
মধ্যে দিয়ে জনসংহতি সমিতি সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করলে পার্বত্য চট্টগ্রামে নেতৃত্ব
শূণ্যতা দেখা দেয়। চারিদিকে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সমাজে ভাঙন দেখা দেয় । এমনি
এক পরিস্থিতিতে ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর জন্ম নেয় নয়া যুগের নয়া পার্টি ইউনাইটেড পিপল্স
ডেমোক্রেটি ফ্রন্টর্( ইউপিডিএফ)। হাল ধরে সমাজ বিনির্মাণের কাজে এবং কাঁধে তুলে নেয়
জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার দায়িত্ব। এই পার্টি বর্তমানে এক যুগ অতিক্রম করেছে। এই এক যুগ
সময় পেরিয়ে আসতে এই পার্টিকে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। অনেক সহযাত্রীকে হারাতে হয়েছে।
তারপরও এই পার্টি সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। আমি এই পার্টির একজন সক্রিয় সদস্য
হয়ে অধিকারহারা জাতিসত্তাসমূহের মুক্তির সনদ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের আন্দোলনে শরীক হতে
পেরে নিজেকে নিয়ে খুবই গর্ববোধ করি।
পার্টি এবং আন্দোলন কোন
সহজ বিষয় নয়। একটা পার্টি তার লক্ষ্য নির্ধারণের মাধ্যমেই সামনের দিকে অগ্রসর হয়। ইউপিডিএফ
পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে সফলতার সঙ্গে
এক যুগ পার করতে সক্ষম হয়েছে। পার্টির এই এক যুগের সময়ে আমার বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার
সুযোগ হয়েছে এবং অর্জিত হয়েছে নানা অভিজ্ঞতা।