দেশের গুম, খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে আজ
(২২ অক্টোবর ২০২৫) আদালতে হাজিরের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে এ ধরনের অপরাধে জড়িত সেনা কর্মকর্তারা এখনো বহাল রয়েছেন। সম্প্রতি গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলা সদরের রামসু বাজারে তিন মারমা যুবককে হত্যাকারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম মো. শামসুদ্দিন রানা এখনো গুইমারা ব্রিগেডে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০২৪ সালে খাগড়াছড়িতে জুনান চাকমা, রুবেল ত্রিপুরা ও দীঘিনালায় ধন রঞ্জন চাকমা’র হত্যার মূল নির্দেশদাতা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমান হাসানের কোন বিচার হয়নি, যদিও তিনি খাগড়াছড়ি থেকে বদলি হয়ে গেছেন।
২০১৮ সালে খাগড়াছড়ির স্বনির্ভরে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে ৭ খুনের মূল হোতা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ-কে প্রমোশন দিয়ে আনসারের মহাপরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছে।
২০১৭ সালে নান্যাচর কলেজের ছাত্র রমেল চাকমা হত্যায় জড়িত তৎকালীন নান্যাচর জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল বাহালুল আলম, মেজর তানভীর এবং ১৯৯৬ সালে কল্পনা চাকমার অপহরণকারী লে. ফেরদৌসের কোন বিচার হয়নি।
এছাড়া এমন আরো অসংখ্য সেনা অফিসার রয়েছেন, যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে গণহত্যাসহ নানা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন।
তাই, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উচিত স্বপ্রণোদিত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে গণহত্যা, খুন, গুম, অপহরণ, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে যথাযথ তদন্তপূর্বক বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
২২.১০.২০২৫

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন