গতকাল (২৬ আগস্ট) নেপালে তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় বাগমাতি প্রদেশের রসুয়া
ও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায় আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতির ঘটনায়
বিশ্ববাসীকে হতবাক করে দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যু ও পাঁচ শতাধিক
মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্যে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে নেপালের
নাগরিক ছাড়াও ভারত, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া একই ঘটনায়
তিব্বতেও হতাহত ও ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামেও কী নেপালের পরিণতি অপেক্ষা করছে?
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ কী সরকার দলীয় নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্র?
স্বৈরাচারী এরশাদ ১৯৮৯ সালে তিন পার্বত্য জেলায় গঠন করেন স্থানীয় সরকার
পরিষদ। নাম দেওয়া হয় ‘রাঙামাটি পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’, ‘বান্দরবান পার্বত্য
জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’ ও ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ’। তৎকালীন
শান্তিবাহিনী তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এ পরিষদগুলো মেনে নেয়নি।
শান্তিবাহিনীর বিরোধীতার মুখে এরশাদ ’৮৯ সালের ২৫ জুন আয়োজন করেন উক্ত তিন পরিষদের নির্বাচন। শান্তিবাহিনী এ নির্বাচনকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েও তা কার্যকর করতে পারেনি। এরশাদ সরকার যেনতেনভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করে ফেলে। নির্বাচনে রাঙামাটি থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন গৌতম দেওয়ান, খাগড়াছড়ি থেকে সমীরণ দেওয়ান ও বান্দরবান থেকে সাচিং প্রু জেরি। শান্তিবাহিনী তাদেরকে দালাল ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা জোরদার করে। সেই যে নির্বাচনটা হলো আজ পর্যন্ত আর কোন নির্বাচন হয়নি।
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে মিডিয়ার মিথ্যাচার কী পাহাড়িদের ওপর রাষ্ট্রীয় বাহিনীর দমন-পীড়ন চালানোর অপকৌশল?
সম্প্রতি কিছু ভাড়া খাটা সাংবাদিককে দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি
তুলে ধরে বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করতে দেখা যাচ্ছে কিছু টিভি চ্যানেল
ও নিউজ পোর্টালে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী মোটা অংকের টাকায় ভাড়া করে এসব সাংবাদিক নামধারী
দুর্বৃত্তদের পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসে। এরপর এ বাহিনীর দেওয়া নাটকের স্ক্রিপ্ট
অনুযায়ী তারা সংবাদ সংগ্রহের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ তৈরিতে নেমে পড়ে। রাষ্ট্রীয়
বাহিনী তাদের নখদর্পণে থাকা কিছু ব্যক্তিকে দিয়ে কাউকে ‘সন্ত্রাসী’ সাজায়, কাউকে দলের
নেতা সাজায় এবং সেইসব নেতাদের (!!) কাছ থেকে অডিও সাক্ষাতকার, ভিডিও সাক্ষাতকার নিয়ে
যে কোন দলের নেতার নামে চালিয়ে দিতেও দ্বিধা করে না।
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
ড. গৌতম চাকমার পার্বত্য চুক্তি বিষয়ে মন্তব্যকে ঘিরে সমালোচনা সম্পর্কে কিছু কথা
সম্প্রতি গত ১ আগস্ট ২০২৬ (১৮৬০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক
শাসন কায়েম হওয়ার দিনে) পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাবেক সভাপতি অঙ্কন চাকমার সঞ্চালনায়
আয়োজিত এক অনলাইন আলোচনায় ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের
অধ্যাপক ড. গৌতম চাকমার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিষয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে চুক্তি
স্বাক্ষরকারী জেএসএস (সন্তু)-এর কিছু নেতা-কর্মী ও তাদের পক্ষের কিছু লোকজনকে নানা
সমালোচনায় মেতে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে তারা সঠিকভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করতে ব্যর্থ
হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গৌতম বাবুকে নিয়ে নোংরা ভাষায় সমালোচনাসহ তাঁকে খারাপভাবে
চিত্রিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।


.png)
